জনগণের সেবাই জনপ্রতিনিধির মূল ধর্ম।চেয়ারম্যানের চেয়ারের চেয়ে ইউনিয়নের মানুষের আস্থা অর্জনকেই বড় করে দেখছেন,কে মানুষের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য, কে বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা দিতে পারেন এবং কে স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন- আজ গল্প তুলবো যে এমন এক ব্যাক্তির সবার সুপরিচিত গাইবান্ধার সদর উপজেলার ৪ নং সাহাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান সরকার।
দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিভিন্নভাবে সহযোগীতার হাত প্রসারিত করে মানবতার ফেরীওয়ালা হিসেবে সুপরিচিত হয়েছেন তিনি। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নে তার অবদানের কমতি নেই।
তিনি মার্জিত, ভদ্র স্বভাবী, সৎ চরিত্রে অধিকারী হওয়ায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তাকে ভোট প্রদান করে চেয়ারম্যান পদে পুনরায় নির্বাচিত করার অঙ্গিকার করে অধিকাংশ ভোটাররা জোট বেধেছে।
ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী হিসেবে কাউকে ভাবতে পারছে না ভোটাররা। সে বর্তমানে সুনামের সাথে ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছে। তিনি গরীবদের ভাতা সহ সরকারের সকল ধরণের সাহায্য সঠিকভাবে বন্টন করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাজার ও চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে তার সুনাম।
একাধিক ভোটাররা জানান, তিনি পুনরায় আবারও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলে এলাকায় মাদক, রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ, স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হবে এবং সমাজের সকল অপরাধ মুক্ত থাকবে। আমরা এলাকাবাসী আশাবাদী মসিউর চেয়ারম্যান আবার পুনরায় নির্বাচিত হবেন।
এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তার কোনো বিকল্প প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছেনা এলাকার জনগণ। ইউনিয়নবাসী, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে এবং সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মসিউর রহমান কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসাবে আবারও নির্বাচিত করবেন বলে জোট বেধেছে সাধারণ জনগণ।
চেয়ারম্যান মোঃ মসিউর রহমান সরকার বলেন,ভোট আসবে,ভোট যাবে, আমরা কারো প্রতি কোন প্রতিহিংসা করবো না,আমি বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান জনগণ যদি পুনরায় চায় আমি আবারও বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবো ইনশাআল্লাহ। পরিশেষে চেয়ারম্যান আরও বলেন, নিজের অর্থায়নে যতটা পারছি এই ৪ নং সাহাপাড়া ইউনিয়নবাসির জন্যই করেছি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ তরিকুল ইসলাম
© দৈনিক গনকথা স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬